বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
এম.আর রয়েল শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য রাজিয়া সুলতানার স্বামী শহিদুল ইসলামের পৈত্রিক ১১শতক বাড়িটি একই এলাকার হাজেরা ও নূরুল ইসলাম গং প্রভাব খাটিয়ে জোর পূর্বক দখল করে নেওয়া সহ ঘর উত্তোলন করায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তার পরিবার
সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানাযায়, ইউপি সদস্য রাজিয়া সুলতানার স্বামী শহিদুল ইসলাম ওই জায়গার প্রকৃত মালিক। কিন্তু প্রতিপক্ষ হাজেরা গং ওই জায়গা ক্রয় সূত্রে মালিক বলে দখল করে নেয় এবং রাজিয়া সুলতানার বসত ঘরের চারদিকে ইট ও বালু দিয়ে আটকে দেয়। এমনকি তার ব্যবহৃত রান্না ঘর, টয়লেট ও দখল করে নেয়। কিছু দিন পূর্বে কয়েকটি গাছও জোর করে কেটে নেয় বলে জানায় এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ আদালতে তিনি একটি পিটিশন মামলা করেন। মামলা করার কারনে বিভিন্ন ভাবে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়া ওই ইউপি সদস্য গত ১২ এপ্রিল হাজেরা গংয়ের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয় সাবেক মেম্বার আঃ মালেক, প্রতিবেশী মোঃ মোর্শেদ শেখ সহ অনেকে বলেন, ইতোপূর্বে এ বিষয়ে একাধিকবার বিচার শালিস হলেও হাজেরা গংরা এব্যাপারে কোন কর্ণপাতই করেনি। এছাড়াও বাঘড়া ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম দুই পক্ষকে পরিষদে ডাকলে বিবাদী হাজেরা গংদের কেউই হাজির হননি।
ইউপি সদস্য রাজিয়া সুলতানা বলেন, আমার স্বামী পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে সাড়ে ১১ শতাংশ জমির মালিক। কিন্তু হাজেরা জাল দলিল উপস্থাপন করে ক্রয় সূত্রে মালিক দাবি করে আমাদের সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে। এ সম্পত্তি নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা চলমান থাকার পরেও জোরপূর্বক বিবাদী হাজেরাগংরা আমাদের বাড়ী থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকার গাছ কেটে নিয়ে গেছে।
এব্যাপারে বিবাদী হাজেরা বেগম বলেন, আমি এই সম্পত্তি ক্রয় সূত্রে মালিক। কোন জবরদখল করার ঘটনা ঘটেনি। গ্রাম্য শালিসের কথা আমি মানলেও রাজিয়া সুলতানা মানেনি।
শ্রীনগর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফিরোজ জানান, গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া গেছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।